1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মসজিদের টাকা আত্মসাতের চেষ্টা বাগেরহাটে ইমামসহ ৮জনকে মারধরকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন খুলনায় যে তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযান জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ শিশুকে দেখতে সিএমএইচ গেলেন নৌবাহিনী পরিবার কল্যাণ সংঘের প্রেসিডেন্ট বাগেরহাটে সিম কোম্পানির কর্মীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, গ্রেপ্তার ৩ দাকোপে বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত ভোলায় কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্র বোমা মাদকসহ ৫ সন্ত্রাসী আটক এপ্রিলে তাপমাত্রা উঠতে পারে ৪২ ডিগ্রিতে বিমসটেক ইয়ং জেন ফোরামে বক্তব্য দিলেন প্রধান উপদেষ্টা টেকনাফে কোস্টগার্ড র‍্যাবের যৌথ অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা জব্দ খুলনায় ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ আটক ২ নিজস্ব প্রতিবেদক

পাখিটার বুকে যেন তীর মের না-বাপি সাহা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪
  • ২২৩ বার পড়া হয়েছে

১৯৭১ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। মহান মুক্তিযুদ্ধেও মাধ্যমে একটি দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে এটি কিন্তু কম কথা নয়। দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামক দেশটির জন্ম লাভ করেছে। যে মা সন্তান ধারণ করে সে মা অনুধাবন করতে পারে গর্ভে সন্তান ধারণ করা কতটুকু কঠিন কাজ। মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে যে দেশটি আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে সে দেশটির নাম ভারত। মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ ভাবে সমর্থন প্রদান,স্বীকৃতি প্রদান সহ শরাণার্থীদের আশ্রয় প্রদান করে যে মানবতার পরিচয় প্রদান করেছেন সেইজন্য আমরা ভারত বর্ষের কাছে চির কৃতজ্ঞ। সংগ্রামে যে সাহস প্রদান করেছেন সেজন্য আমরা চিরকৃতজ্ঞ।
ভোরের পাখির কিচিরমিচির শব্দে প্রতিদিনের সকালের জানান দেয়। আমাদের বলে ভোর হয়েছে।“ ঘুম থেকে উঠো, জাগো”। ভারত নামক রাষ্ট্রটি সেই কাজ করছে। ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী শরণার্থ শিবিরে গিয়ে শিশুদের জন্য দুধের ব্যবস্থা করে যে মানবতার পরিচয় দিয়েছেন সে জন্য আমাদেও ও বারবার স্মরণ করতে হয় ইতিহাসের অন্যতম কান্ডারী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে। ভারতীয় শিল্পী, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবিরা এবং সেখানকার সুধীসমাজ যে অবদান রেখেছেন সে জন্যও আমরা কৃতজ্ঞ তাদের কাছে।
বর্তমানে আমাদের রাজনীতিতে মেরুকরণ হয়েছে তার একটি হচ্ছে ভারত বিরোধীতা; ভারতীয় পণ্য বর্জনের একটি ডাক এসেছে যার কোন ভিত্তি আছে কি না? সেটি ভাবতে হবে। এর কতটুকু বাস্তবতা আছে সেটি নিয়েও ভাবার সময় এসেছে। ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর একটি উক্তি উল্লেখ না করে পারছি না সেটি হচ্ছে “আমরা তোমাদেও সাথে সাথে আছি”। কতটুকু ভালবাসার জায়গা থেকে তিনি বলেছেন সেটি ভাবতে হবে। সকল প্রকার দূর্য়োগে ভারত আমাদেও পাশে রয়েছে। কোন দেশের বিরোধীতার জন্য নামতে গেলে ভেবে নিতে হবে সেই দেশটি আমার জন্য কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয়। আমরা জানি আমাদের স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা। জীবন রক্ষার জন্য কতজন মানুষ ভারতে উদ্দেশ্যে যাতায়াত করেন সেটির হিসাব দেখলেই বোঝা যাবে আমরা কতটুকু নির্ভরশীল। আমাদের নির্ভরশীলতা প্রমাণ করে আমাদের অবস্থা। অবস্থা ও অবস্থানের ভিত্তি করে বলা যেতে পারে একজন ভাল বন্ধুর আমাদের কত প্রয়োজন।
ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারত অনেকখানি এগিয়ে আছে। আমরা যে কয়টি পণ্য উৎপাদন করি তার থেকে অনেক বেশী পণ্য ভারত উৎপাদন করে থাকে। অনেকগুলো পণ্যে-এর ক্ষেত্রে আমাদের ভারতের উপর নির্ভর করতে হয়। আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের জন্য বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের উপর নির্ভর করতে হয়।
একটি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার উপর করে অনেক কিছু। বিশ্বের অনেক দেশের দিকে তাকালে আমরা দেখি অনেক দেশের ভিতর রাজনৈতিক অস্থিরতা কাজ করে । এই রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরী করার জন্য রাষ্ট্রের ভিতর কিছু গোষ্ঠী সক্রিয় ভাবে কাজ করে থাকে। বিভিন্ন ভাবে শান্তি নষ্ট করে থাকে। উগ্রবাদ, সহিংসতার ঘটনা ঘাটানের জন্য প্রক্রিয়াশীল চক্রকে বাঁধা দেওয়ার জন্য একজন ভাল বন্ধুর খুব প্রয়োজন।
নি:সন্দেহে বলা যেতে পারে বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে কঠোর পরিশ্রম করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন সেটি সত্যি প্রশংসাযোগ্য। বঙ্গবন্ধু অনেক মেধা দিয়ে নিজের জীবনের সুখ শান্তি বিসর্জন দিয়ে বাংলাদেশ নামক একটি ভূ-খন্ডের সৃষ্টি করেছেন;। বর্তমান প্রেক্ষাপট আমাদের আবারও স্মরনকরিয়ে দেয় একজন ভাল বন্ধুর কত প্রয়োজন। অতিসম্প্রতি ভারতের ১৮তম লোকসভার নির্বাচন সুস্পন্ন হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শ্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে তৃতীয়বারে মতো সরকার গঠন ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। গত ৯ জুন নতুন সরকারের মন্ত্রীসভার প্রধান চার মন্ত্রণালয়ে পূর্ববর্তী সরকারের মন্ত্রীরাই পুন:নিয়োগ পেয়েছেন। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সশরীরে উপস্থিত থেকে শপথ অনুষ্ঠান উপভোগ করেছেন। পাশর্^বর্তী দেশ হিসাবে অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার মর্যাদা ছিল আপরিসীম।
ভারতীয় কন্ঠশিল্পী মোঃ রাফি একসময়ে গেয়ে উঠেছিলেন “পাখিটার বুকে যেন তীর মের না।” এই লেখাটির শেষ পর্যায়ে বলতে হয়। ভারত নামক রাষ্ট্রটি পাখির দায়িত্ব পালন করছে। ভোর হয়েছে জেগে উঠতে হবে। ভোরের আলোতে বেরিয়ে পরতে হবে। তাই ভারত বিদ্বেষ নয়,বন্ধুর হাত ধরে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব এটি হোক আমাদের চাওয়া। …..লেখক  সমাজকর্মি বাপি সাহা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews