আন্তর্জাতিক :: মার্কিন রাজনীতিতে হাওয়া বদল হয়েছে। লঘুচাপ থেকে নি¤œচাপ থেকে ঝড়ে পরিণত হয়েছে লাগামহীন নেওয়া সিদ্ধান্ত গুলি। ক্ষমতায় দ্বিতীয় মেয়াদে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন যা অনেকটা সারাবিশ্বকে অনেকটা অবাক করে দিচ্ছে। ইউএসআইডি-এর উপর নাখোশ হয়ে নব্বই দিনের জন্য কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছেন। কমকর্তাদেরও ছুটিতে পাঠিয়েছেন। ইউএসআইডির ওয়েবসাইট ও বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন দেশের পণ্যেও উপর শুল্ক আরোপের মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বকে নিজের আধিপত্য বাদের কথা জানান দিতে চাইছেন বলে মনে হয়। ইউক্রেনকে দূরে ঠেলে রাশিয়া কে কাছে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ভিসানীতির ক্ষেত্রেও অনেকটা কঠোর নীতিঅবলম্বন করছেন। নাগরিকত্ব বিক্রির পদ্ধতিও বেশ অভিনব। সাড়া বিশ^কে কি বার্তা দিতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেটি কিন্তু ভাববার বিষয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর চীনের বিরুদ্ধে অনেকটা উঠে পড়ে লেগেছেন। এরই মধ্যে চীনের পণ্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছেন। সেই সঙ্গে রাশিয়াকে কাছে টানতে নিচ্ছেন নানা উদ্যোগ। এমন পরিস্থিতে ভারতে পাশে রাখতে আগ্রহী চীন। শুক্রবার (৭ই মার্চ) দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াংই’র বার্তায় এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেল। খবর টিভি চ্যানেল এনডিটিভি।
ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির বৈঠকে ওয়াং বলেছেন, দিল্লি ও বেইজিংকে একত্রে কাজ করতে হবে এবং আধিপত্যবাদ ও পেশীশক্তির রাজনীতির বিরুদ্ধে উভয় দেশকে একত্রে নেতৃত্ব দিতে হবে। ফলে হাতি (ভারত) ও ড্রাগনের (চীন) নাচকে বাস্তবে পরিণত করাই একমাত্র সঠিক পথ। এ ছাড়া ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও প্রশংসা করেছেন ওয়াং ই। তিনি বলেছেন,যদি এশিয়ার দুই সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দেশ এক হয়ে কাজ করে তাহলে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দিক থেকে “গ্লোবাল সাউথ” -এর ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জল। এ ছাড়া দুই দেশ অতীতের জটিলতা সমাধান করতে একত্রে কাজ করছে বলে জানান ওয়াং।
তিনি বলেন,গতবছর থেকে সমস্যা মেটাতে ইতিবাচক আলোচনা করেছে দুই দেশ। রাশিয়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন শিজিনপিং। দুই দেশ নিজেদের তরফ থেকে যৌথ পদক্ষেপ নিয়েছে। সীমান্ত ইস্যুতে দুই দেশের সংঘাত আগের অনেকটা কমেছে। যা দুই দেশের জন্য মঙ্গলজনক। সীমান্ত সংঘাত এড়াতে দুইদেশ যৌথ পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশটির ক্ষমতাসীন দলটির নেতৃবৃন্দ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করেতে পিছ পা হননি। তবে চীনাপররাষ্ট্রমন্ত্রীর এসব মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত ভারতেরপক্ষ থেকে কোনো জবাব দেওয়া হয়নি বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বাপিসাহা, উন্নয়নকর্মী ও সাংবাদিক
Leave a Reply